অফিস ডেস্ক
পলাশবাড়ী(গাইবান্ধা)প্রতিনিধিঃ-গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার পবনাপুর ইউনিয়নের পবনাপুর দক্ষিন পাড়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার মৌলভী কর্তৃক ছাত্র বলাৎকারের ঘটনা ঘটেছে।
সরেজমিনে ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার পবনাপুর ইউনিয়নের পবনাপুর দক্ষিণপাড়া আদর্শ নুরানী তা’য়ালিমুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মাহামুদুল হাসানের ছেলে উক্ত মাদ্রাসার মৌলভী শিক্ষক সোহাগ যোগদানের পর থেকেই লম্পট শিক্ষকের নজরে পরে,মাদ্রাসার কমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা।
উক্ত শিক্ষার্থী আরিফুল জানান,আমাকে ভয় ভিতি দেখিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে বলাৎকার করে বলে জানান।
শিশু আরিফুল বলাৎকারের যন্ত্রনা সহ্য করতে না পেরে শনিবার দুপুরে পরিবারের লোকজনকে জানান,পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিষয়টি নিয়ে মাদ্রাসায় গেলে অভিযুক্ত শিক্ষক টের পেয়ে মাদ্রাসা থেকে গা ঢাকা দেন এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা মোঃ মাহামুদুল হাসানকেও মাদ্রাসা পাওয়া যায়নি এজন্য বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এলাকাবাসী জানান,এর আগেও বেশকয়েকটি ঘটনা ঘটেছে এই মাদ্রাসায়।এবং একই ঘটনা এর আগেও উক্ত মৌলভী শিক্ষক ঘটিয়েছে।
সে তো একজন বিবাহিত তার পরেও এমন ঘটনা ঘটাবে ভাবতেও অবাক লাগে।
বারবার এই ঘটনা ঘটতে দেওয়া যাবে না।
আমরা প্রশাসনের উদ্ধর্তন কর্তৃকপক্ষের সৃষ্টি আকর্ষন করছি,তদন্তসাপেক্ষে অপরাধীর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
ইউপি সদস্য জিয়া জানান,যে কোরআন শিক্ষা দেওয়া হয় সেখানে এমন নেক্কার জনক ঘটনা ঘটবে এটা কেইও মেনে নিবে না, তবে অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তি দাবি করছি।
পলাশবাড়ী থানা অফিসার ইনর্চাজ সারোয়ার আলম জামান,অভিযোগ পেয়েছি তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পলাশবাড়ী উপজেলা নিবার্হী অফিসার সাথে কথা বললে তিনি জানান,অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।