অফিস ডেস্ক
রাজু ভূঁইয়া,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:-সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের দাশপাড়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় মৃত উদ্ধার হওয়া শীশ মিয়া আকন্দকে (৪২) হত্যা করা হয়েছে দাবি করেছে তার পরিবার। শুক্রবার দুপুর ২টায় ওই ইউনিয়নের গাছতলা বাজারে এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে এমনটি দাবি করা হয়।
এর আগে গত ২৯ ডিসেম্বর শীশ মিয়া আকন্দের বড় ভাই জসিম উদ্দিন আকন্দ বাদি হয়ে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ এনে সাত জনের নাম উল্লেখ করে ধর্মপাশা থানায় মামলা করেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন শীশ মিয়া আকন্দের পরিবারের লোকজন। শীশ মিয়া আকন্দ পাইকুরাটি ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি।
গত ১৪ ডিসেম্বর রাত ৮টার পর থেকে শীশ মিয়া আকন্দ নিখোঁজ ছিল। পরে ২৮ ডিসেম্বর ওই ইউনিয়নের দাসপাড়া গ্রামের একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিনই তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এর পরদিন তার বড় ভাই জসীম উদ্দিন আকন্দ বাদী হয়ে জিংলীগড়া গ্রামের মৃত আমির উদ্দিনের ছেলে বাবুল মিয়া (৪৫) ও রতন মিয়া (৪০), আকিকুর রেজা আকন্দের ছেলে সিরাজুল আকন্দ (৩৫) ও শাহীনুর আকন্দ (৩২), মৃত সুরুজ আলীর ছেলে লালধন (৪৫), গাছতলা বাজারের মৃত বাদুর আলীর ছেলে মাসুদ (৩৯) ও রাশিদ (৩৮) এর নাম উল্লেখ অজ্ঞাত আরো অনেককেই আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এদিকে শুক্রবার আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানিয়ে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, শীশ মিয়ার স্ত্রী আসমা আক্তার, মা রেহেনা আক্তার, ছেলে শাকিমুল আকন্দ, মেয়ে সোমাইয়া আক্তার, ভাই খাইরুল ইসলাম আকন্দ, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং শীশ মিয়ার চাচাতো ভাই মামুন আকন্দ।
ধর্মপাশা থানার ওসি মোহাম্মদ সহিদ উল্যা বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে৷ আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।