অফিস ডেস্ক
প্রতিবেদন প্রকাশ: ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সময়ঃ ০৭:৩৪
বগুড়া প্রতিনিধি:-বগুড়া জেলা সিভিল সার্জন ডা: মোঃ খুরশীদ আলম বলেছেন, একজন রোগীকে ২৪ ঘন্টায় হয়তোবা সর্বোচ্চ ১০ মিনিট চিকিৎসক দেখেন কিন্তু বাকি ২৩ ঘন্টা ৫০ মিনিট তাকে আগলে রাখেন নার্স।
রোগীর কাছে চিকিৎসকের থেকেও বেশি আপন একজন ভালো সেবিকা। অনেক বেশি উপার্জন না করা গেলেও নার্সিং পেশা অত্যন্ত সম্মানের ও মানবিকতার যা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।
নিউরন নার্সিং ভর্তি কোচিং বগুড়া শাখার ১৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে রবিবার সকালে শহরের টিএমএসএস মহিলা মার্কেট অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
নিউরন কোচিং সেন্টারের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা প্রদানের মাধ্যমে সিভিল সার্জন খুরশীদ আলম আরো বলেন, মানবতার সেবায় সকলে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারে না। এটি পরম সৌভাগ্যের বিষয়।
পাঠ্যপুস্তকের সীমাবদ্ধ জ্ঞানের বাইরেও এক দুনিয়া রয়েছে যা আমাদের অনুধাবন করতে হবে। নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে না শিখে শেখার পরিধি বাড়াতে হবে।
দেশব্যাপী নিউরন নার্সিং ভর্তি কোচিং একটি পরিবারের মতো যেভাবে শিক্ষার্থীদের এ পেশার জন্য প্রস্তুত করছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
নিউরন নার্সিং ভর্তি কোচিং বগুড়া শাখার পরিচালক মোশারফ হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ও যুব সংগঠক সঞ্জু রায় এবং কম্বাইন্ড নার্সিং ইনস্টিটিউট'র চেয়ারম্যান মো: শাহাবউদ্দীন।
এদিন প্রায় ৫৫০ জন শিক্ষার্থীকে বিদায় সংবর্ধনা দেয়ার পাশাপাশি মেধাবী ২২জনকে বিশেষভাবে পুরস্কৃত করা হয়।
আয়োজন প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম ও বগুড়া শাখার পরিচালক মোশারফ হোসেন বলেন, ২০২৫ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া নিউরনের ১৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি ভর্তিযুদ্ধে অংশ নিতে যাচ্ছেন।
তারা বলেন, শুধু ভর্তি যুদ্ধে জয়ী হওয়ার জন্য নয় বরং ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা করে যাচ্ছেন তারা। উন্নত বিশ্বে একজন ভালো নার্সের যেমন সম্মান রয়েছে তেমনি চাহিদাও রয়েছে। তারা সেই সেতুবন্ধনেও কাজ করছেন।
বর্তমানে এই পেশায় অনেক বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের স্বপ্ন নিউরনের হাত ধরেই শিক্ষার্থীরা নিজেদেরকে গড়ে তুলুক একজন প্রকৃত মানুষ হিসেবে, খুঁজে পাক নিজেদের সাফল্যের সিঁড়ি। উল্লেখ্য গতবছর নিউরন নার্সিং ভর্তি কোচিং বগুড়া শাখার প্রায় ৪ শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে প্রায় ২৫০ জনই দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য সরকারি নার্সিং প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলেন।
© 71 Vision ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সতর্কতাঃ অনুমতি ব্যতীত কোন সংবাদ বা ছবি প্রকাশ বা ব্যবহার করা যাবে না।