অফিস ডেস্ক
প্রতিবেদন প্রকাশ: ২৭ ডিসেম্বার ২০২৫, সময়ঃ ১২:১৭
পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা)সংবাদদাতাঃ-গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ীতে বেড়েছে শীতের প্রকোপ। শীতে প্রকৃতিতে দিনব্যাপী বিরাজমান বৈরী আবহাওয়া ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টিতে একটি প্রকট সমস্যা ধারণ করেছে।
শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে হতদরিদ্র মানুষ গুলোর দৈনন্দিন জীবনে নতুন সংগ্রাম শুরু হয়েছে। প্রচণ্ড হাড় কাঁপানো শীতে কাহিল হয়ে পরেছে নিম্ন আয়ের পাথর শ্রমিক, চা শ্রমিক, দিনমজুররা।
বিভিন্ন সড়কে হাটবাজার, বাসস্ট্যান্ড,ও ফুটপাতে বসবাসরত অগণিত মানুষ শীতকালীন সমস্যা ও অনাহারে জীবনযাপন করতে দেখা গেছে।
এই অঞ্চলে শীতের তীব্রতা দিনের চেয়ে রাতে সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়।নিম্নমানের জীবনযাপনের কারণে গরম কাপড়ের অভাব, নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে অনেকে রোগাক্রান্ত হন। শীতের কারণে সর্দি, কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়া, এবং অন্যান্য শীতজনিত রোগ ছিন্নমূল মানুষদের উপর মারাত্মক প্রভাব সৃষ্টি করেছে।
শীতের এই বৈরী আবহাওয়া সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে মানুষের দৈনন্দিন জীবিকায়। সারাদিন সূর্যের দেখা মিলছে না, প্রকৃতিতে চলতে থাকা শীতের তীব্র দাপটে ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষের দৈনন্দিন আয় স্থবির হয়ে পরেছে। ফলে পরিবার গুলোতে পর্যাপ্ত খাবারের সংকট তৈরি হয়েছে। একদিকে শীতের তীব্রতার কষ্ট, অন্যদিকে হতদরিদ্রের পর্যাপ্ত খাদ্যের অভাব সবমিলিয়ে তাদের দুর্ভোগের শেষ নেই।
এই শীতে এমন পর্যায়ে অনেক মানুষ রয়েছেন, যারা অভাবে তিন বেলা ঠিকমতো খাবার না খেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করেন। ফলে তীব্র ঠান্ডা এবং খাদ্যের অভাবে তাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেছে। বর্তমানে শীতের তীব্রতায় ছিন্নমূল মানুষদের জন্য সরকারীভাবে ত্রাণ বিতরণ, আশ্রয় কেন্দ্র ও গরম কাপড়ের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
পাশাপাশি সরকারি হাসপাতাল গুলোতেও শীতজনিত রোগের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।স্থানীয় কমিউনিটি এবং সমাজকর্মীরা যদি একত্রিত হয়ে ছিন্নমূল মানুষের জন্য আশ্রয়,গরম কাপড় এবং খাবার সরবরাহ করে, তবে ছিন্নমূল মানুষদের জীবনযাত্রার মান কিছুটা সহনীয় হতে পারে।
© 71 Vision ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সতর্কতাঃ অনুমতি ব্যতীত কোন সংবাদ বা ছবি প্রকাশ বা ব্যবহার করা যাবে না।