Nazsan Arif
প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৬ ডিসেম্বার ২০২৫, সময়ঃ ১০:০৪
? ?? ? মূল সংবাদ
সুদানের দক্ষিণ কোরদোফান রাজ্যের কাদুগলি এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন UNISFA–এর একটি লজিস্টিকস বেসে ড্রোন হামলায় বাংলাদেশের ৬ জন শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন। হামলায় আরও ৮ জন শান্তিরক্ষী আহত হন।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, স্থানীয় সময় ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে কাদুগলিতে এই হামলা চালানো হয়। নিহত ও আহত সবাই বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী কন্টিনজেন্টের সদস্য।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস হামলাটিকে তীব্রভাবে নিন্দা করে বলেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীদের ওপর হামলা “গ্রহণযোগ্য নয়” এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের আলোকে এটি “যুদ্ধাপরাধ” হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তিনি দোষীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে গুতেরেস সংঘাত নিরসনে অবিলম্বে সহিংসতা কমানো এবং রাজনৈতিক সমাধানের পথে ফেরার আহ্বান জানান।
দেশীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে ফোনালাপে জাতিসংঘ মহাসচিব নিহত শান্তিরক্ষীদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেন। তিনি আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এবং উন্নত চিকিৎসাকেন্দ্রে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান।
? প্রেক্ষাপট
২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানে দেশটির সেনাবাহিনী (SAF) ও আধা-সামরিক Rapid Support Forces (RSF)–এর মধ্যে চলমান সংঘাতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে অবনতি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে কোরদোফান অঞ্চলে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মানবিক সংকট ও বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকি আরও বাড়াচ্ছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা সতর্ক করেছে।
? OHCHR প্রসঙ্গ (সংক্ষেপ)
UN Human Rights Office (OHCHR)–এর প্রধান Volker Türk সতর্ক করে বলেছেন, কোরদোফান অঞ্চলে সংঘাতের মধ্যে নতুন দফা ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে পরিস্থিতি El Fasher–এর মতো ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নিতে পারে।
? ডেস্ক নোট
বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের অন্যতম শীর্ষ সেনা-অবদানকারী দেশ। এই ঘটনায় শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা, আহতদের দ্রুত চিকিৎসা এবং হামলার নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
© 71 Vision ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সতর্কতাঃ অনুমতি ব্যতীত কোন সংবাদ বা ছবি প্রকাশ বা ব্যবহার করা যাবে না।