অফিস ডেস্ক
প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৫ ডিসেম্বার ২০২৫, সময়ঃ ০৭:৫৪
পীরগঞ্জ(রংপুর) প্রতিনিধিঃ-এ কেমন সন্তান পেটে ধরেছিলাম! যে বয়সে সন্তানের আয়-রোজগার খাওয়ার কথা; সেই সময়ে এ দুই বাবা মাকে ঘুরতে হচ্ছে সমাজের গণ্যমান্য প্রভাশালীদের দাড়ে দাড়ে।
তার মা হয়েও আমি মারপিটের স্বীকার হই, এই দুঃখ কোথায় বলবো? এটা কি পেটের সন্তানের কাজ? সন্তানের নির্যাতনে আজ আমরা রাস্তায় ঘুরছি। এমন সন্তান আর কাউকে দিও না আল্লাহ।’
কান্নাজড়িত কণ্ঠে কথাগুলো এভাবেই বলছিলেন পীরগঞ্জ উপজেলার চতরা ইউনিয়নের গিলাবাড়ী বাটক্যাবাড়ী গ্রামে মনারুল ইসলাম (৪২) ও আছিয়া বেগম (৩৫)। তার অভিযোগ, তিনি ও তার স্বামী ছেলের নির্যাতনের শিকার। বড় ছেলে জোবায়ের আহম্মেদ জিহাদ (২০) তাদের বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। বাবা মনারুল ইসলাম গত দুই মাস পূর্বে জমি চাষাবাদের জন্য ট্রাক্টর কেনেন।
উক্ত ট্রক্টরটি চালক হিসেবে জিহাদ জমি চাষাবাদ করে। দুই মাস মায়ের অনুপস্থিতিতে জিহাদ ও তার নববিবাহিত স্ত্রী সংসার পরিচালনা করে। মা সংসারে ফিরলে ছেলে জিহাদ ট্রাক্টরসহ নগদ টাকার দাবী করে।
এছাড়াও বাবা মাকে বাড়ী থেকে বের কওে দেওয়ার হুমকি ধামকি দেয়।বাবা মা ট্রাক্টও ও নগদ টাকা দিতে অস্বীকার করলে গত শনিবার গভীর রাতে বেদম মারপিট করে। তাদের আত্মচিৎকারে রবিউল ইসলাম, শফিউল ইসলাম, তরিকুল ইসলাম, বেলাল মিয়া ও লোকমানসহ প্রতিবেশীরা পরিস্থিতি শান্ত করে।
ছেলের আঘাতে অসুস্থ্য হলে প্রতিবেশীরাই পরদিন গতকাল রবিবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেয়। প্রতিশেীরা গতকাল রবিবার বিকালে মনারুল ইসলামের বাড়ীতে শালিসী বৈঠকের মাধ্যমে মৌখিকভাবে জিহাদকে সতর্ক করে এবং পরবর্তীতে ঝগড়া বিবাদ না করার শর্তে আইনী পদক্ষেপ গ্রহন থেকে বিরত রাখা হয়।
© 71 Vision ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সতর্কতাঃ অনুমতি ব্যতীত কোন সংবাদ বা ছবি প্রকাশ বা ব্যবহার করা যাবে না।